তানভীর আহমেদঃমৃত্যু নিবন্ধনিত হওয়ার দরুন আকাশ থেকে কিছু জীবন নামক পানি পড়লো সে স্পর্শ করলো কিন্তু মৃত্যু থেকে জীবিত হওয়ার ইচ্ছাশক্তি আর হইলো না। জীবনের ব্যর্থতা আর ঘুণে খাওয়া সফলতার বানী যখন শুনাতে যায় , মাথার দুপাশে কান নামক দুটি অস্তিত্ত্ব বললো, শব্দ গুলোর গ্ৰহণ যোগ্যতা নাকি হারিয়ে গেছে , সে আবার বলে এ বাক্য নাকি সে নির্ঘাত শুনেছে। সে বললো আমি তো আমিত্ত্ব তে ছিলাম কিন্তু আজ তাঁর আমিত্ত্ব তাঁর দিকে তাকালো না , বরং এক চিৎকার দিয়ে বললো , আমি তোমার থেকে বিচ্ছিন্ন আমার অস্থিত্ত্ব তোমার মাঝ থেকে সরে আসছে আমি ও এখন মহাকাশের তারকাদের মতো স্বাধীন এবং একা , তুমি তোমার কক্ষপথে একবার ঘুরে দেখো শুন্যতার মহাবাণী ছাড়া কিছুই শুনতে পাবে না , এর দায়ভার তোমার তুমি এর জন্য নির্ঘাত লজ্জিত হবে।
সে জীবননাশের দোকানে গিয়েছিলো মৃত্যু কে সহজ করার জন্য কিন্তু সেখানে এক সত্য উদঘাটন হলো তাঁর সকল মিথ্যা কে মাটি চাপা দিয়ে দিলো, সে শুধু এখন শুণ্যতা আর বিকশিত অপ্রাপ্ত জীবনে অস্থিত্ত্ব খুঁজে পায়। হতাশা একবার রাগ ও না পাওয়া বেদানা রূপক কিছু সাঙ্গুপাঙ্গু নিয়ে হাজির, বললো তোমার মনে ফুটতে থাকা সুন্দর স্বপ্ন গুলো আমাকে দিয়ে দাও , বিনিময়ে তোমার জন্য থাকবে কিছু শুভ্র নিশির নিদ্রা আর চিবুকের ঝরঝরে হাসি , সে দিতে চাইলো না তাঁরা, তাঁর মগজে কিছু অপ্রাপ্ত ভয় আর মনে কিছু কষ্ট জমিয়ে দিয়ে গেলে ,সে চেষ্টা করেছে উদ্ধার হতে , কিন্তু বারংবার ব্যর্থ। সে হঠাৎ বলে এইতো আমি উঠলাম নিজেকে জাগাবো কিন্তু সে জাগতে পারলো না বরং একটা ভাব ধরে পড়ে রইলো যেন তাঁর অস্তিত্ত্ব পৃথিবী থেকে চলে গেছে , দরিয়া মাঝে সে শুধু শুণ্য আকাশ আর কিছু আশা ছাড়া কিছুই দেখতে পাইনা।
এই শুণ্যতার গ্লানি তাকে এমন ভাবে আঁকড়ে ধরেছে এখন সে আর এই বন্ধন থেকে ছিন্ন হতে পারছে না, এখন তাঁর স্বপ্ন সাপের খোলসের মতো পরিবর্তন হতে চাইলো , এখন সে আবার তাঁর অস্তিত্ব দুনিয়ার বুকে আনতে চাই । তাঁর না পাওয়ার বেদনা আর অপূর্ণ স্বপ্ন গুলোকে অবস্থান নিজ অনুকূলে আনতে চাই ।কিন্তু সে তো এখন সময়ের বাহিরে , কালের বিবর্তনে তাঁর অস্তিত্ব হারিয়ে গেছে । সে চাইলে কী আর অবস্থার নতুন সৃষ্টি হবে। দূর পর্দার ভেতর থেকে একটি শব্দ আসলো না…………