সাঈদীকে নিয়ে ফেসবুকে স্টাটাস,জবি ছাত্রলীগের ৬ কর্মীকে অব্যাহতি নোটিশ  

জবি প্রতিনিধি:জামায়েত নেতা সাবেক এমপি দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী মারা যাাওয়ার পর তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ৬ কর্মী কে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
আজ রবিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজী ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আক্তার হোসাইন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এত তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার এক জরুরী সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, সংগঠনের শৃঙ্খলা ও নীতি আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকায়, মোঃ মাসুম বিল্লা (১১ ব্যাচ, চারুকলা বিভাগ), শফিকুল ইসলাম আপন (১২ ব্যাচ), আফিয়া আক্তার (১৪ ব্যাচ, বাংলা বিভাগ), হাসান ইসলাম সান (১৫ ব্যাচ, দর্শন বিভাগ), জারিফ ভাজাওয়ার (সহ-সভাপতি, পরিসংখ্যান বিভাগ ছাত্রলীগ), মোঃ ইশা (সভাপতি, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ ছাত্রলীগ) উপরোক্ত সকলকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।
জবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসাইন বলেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে তাদেরকে অব্যবহতি দেওয়া হয়েছে। তারা সংগঠনের শৃঙ্খলা ও নীতি আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় তাদেরকে অব্যবহতি দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের আদর্শ পরিপন্থী কাজ করেছেন তাই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি বলেন, সাঈদী রাজাকার, সে যুদ্ধাপরাধী ছিল। তাকে নিয়ে ছাত্রলীগ কর্মী পোস্ট দিবে কেন? এরকম করলে শাস্তির আওতায় আনা হবে।
 এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজী বলেন, শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজের জন্য তাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। চিহ্নিত রাজাকার দেশদ্রোহীদের পক্ষে কেউ পোস্ট দিবে এটা তো বড় ধরনের অপরাধ এবং শৃঙ্খলা পরিপন্থী সংগঠনের জন্য।
এ বিষতে অব্যাহতি পাওয়া হাসান ইসলাম সান (১৫ ব্যাচ,দর্শন বিভাগ) বলেন, আমি এর আগে পাবনায় জেলায় ছাত্রলীগ করতাম। পরবর্তীতে জগন্নাথে এসে ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে কাজ করি আক্তার ভাই এর সাথে। আমার পরিবারকেও আওয়ামী পরিবার হিসেবে সবাই চিনে। আমি মনে করি সাঈদী একজন ইসলামি স্কলার এবং কুরআনের মুফাসসির। তাই ধর্মীয় দিক থেকে আমি তাকে নিয়ে পোস্ট করেছি। এতে আমাকে বহিষ্কার করলে তা দুঃখজনক।
অব্যহতি পাওয়া আরেক শিক্ষার্থী ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী শফিকুল ইসলাম আপন বলেন, আমি তো কোনো কিছু বুঝতে পারছি না। কেন বহিষ্কার করা হয়েছে। কোনোকিছু না বলে এভাবে হঠাৎ কেন বহিষ্কার আদেশ দিয়েছে তারাই ভালো জানে।