শিল্পের আলো ছড়াচ্ছেন কামরুল ইসলাম

 

মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার

প্রতিভার সাথে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতাকে সঙ্গী করেই হযরত পুণ্যভূমি সিলেটের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নিজের আলোক শিখা ছড়িয়ে যাচ্ছেন উদিয়মান তারকা কামরুল ইসলাম। সংস্কৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ ও ভালোবাসার কারণে নিজেকে সংস্কৃতির অঙ্গনেই জড়িয়ে রেখেছেন সম্ভাবনাময় এই অভিনয়শিল্পী। যার কারণে বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রমিজিং এই মডেল কাম অভিনেতা। শিল্পের ভুবনে শৈল্পিকতা ও নান্দনিকতার সমীকরণের ভুল করেন নি বলে ইতোমধ্যেই দর্শকদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন সিলেট সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এই হালের সেনশেসন। নিজের অবস্থানকে পাকাপোক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন বলে একটি দৃঢ় অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন বলে নির্মাতারাও তাকে নিয়েই ভাবছেন। টেলিভিশন বিজ্ঞাপন ও নাটকে বর্তমানে ব্যস্ত সময় কাটালেও র‍্যাম্প মডেলিং ও ফটো মডেল হিসেবেই নিজের ক্যারিয়ার শুরু করেন সুদর্শন ও সুঠাম দেহের অধিকারী এই মডেল ও অভিনেতা। ইতোমধ্যে কাজ করেছেন বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় নাটকে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হলো মিলাদ বড় ভূইয়ার “চাঁদের অমাবস্যা, ভূত নিবাস, জি এম সৈকতের ” লাভস্পিড, আগুনের আর্তনাদ, শেষ অধ্যায় ইত্যাদি। ছোট পর্দার সীমাবদ্ধ গন্ডি পেরিয়ে বড় পর্দা থেকেও ডাক পেয়েছেন প্রমিজিং এই শিল্পী। গল্পনির্ভর মনে রাখার মতো চরিত্র পাচ্ছেন না বলে ইতোমধ্যেই অনেক চলচ্চিত্র নির্মাতাকে বিনয়ের সাথে ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে জানালেন এই মডেল কাম অভিনেতা। তার মতে,, যেনতেন অনেক কাজের চেয়ে কোয়ালিটিফুল অল্প কিছু কাজ করেই দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চান কামরুল ইসলাম। এক প্রশ্নের জবাবে এই অভিনেতা জানান, অফার যতই আসুক মনে রাখার চরিত্র না পেলে কাজ করবেন না। মানুষের হৃদয়ে দাগ কাটার মতো গল্প ও চরিত্র না পেলে একজন শিল্পী বিকশিত হতে পারেনা ও নিজেকে তুলে ধরতে পারেনা এমনটিই মনে করেন প্রতিশ্রুতিশীল এই মডেল ও অভিনেতা। তবে, ব্যাটে বলে মিলে গেলে অদূর ভবিষ্যতে তাকে সিনেমার ঝলমলে ভুবনে দেখা যাবে বলেও জানান তিনি। নিজের ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে কামরুল ইসলাম বলেন, শিল্পী হিসেবে দেশের প্রতি, সমাজের প্রতি ও দেশের মানুষের প্রতি আমার অনেক দায়বদ্ধতা আছে। শিল্পীর আগে আমি একজন মানুষ। তাই মানুষের কল্যাণে কাজ করার ইচ্ছে আমার রয়েছে৷ গতানুগতিক তারকা হয়ে ঝরে পড়ার চেয়ে প্রতিভা ও যোগ্যতার সংমিশ্রণে জাত শিল্পী হতে চান কামরুল ইসলাম। আর ধীর কদমে বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপে সেই পথেই হাঁটছেন তিনি। কামরুল ইসলামের প্রতিভার দ্যুতি ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।