রাহিমা আক্তার মুক্তা:মিরপুর বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক শেখ মাহতাব উদ্দিন আহম্মেদ। যার অপকর্ম অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়।এ বিষয়ে দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ পত্রিকার রিপোর্টার গোলাম রাব্বানী,শেখ মাহতাবের কাছে বক্তব্য জানতে গেলে, তার লালিত-পালিত কিছু ক্যাডার বাহিনী দিয়ে সাংবাদিক গোলাম রাব্বানীকে বিআরটি’র পাশে থাকা ৬ নং রোডে নিয়ে সঙ্গবদ্ধ করা ক্যাডার বাহিনী মিলে মাহতাবের নির্দেশে হামলা ও মারধর করে।এবং একটা কাগজে ভুয়া সাংবাদিক লিখে গোলাম রাব্বানীকে লাঞ্ছিত করে।
অনুসন্ধানে জানা যায়,মোটরযান পরির্দশক মাহতাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি যে নিউজ প্রকাশিত হয়েছে,তারই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী অনুসন্ধানী রিপোর্ট প্রকাশের জন্য বিআরটি কর্মকর্তা শেখ মাহাতাব এর কাছে বক্তব্য জানতে গেলে তার লালিত-পালিত সস্ত্রাসী দিয়ে হামলা ও হেনেস্তা করেন সাংবাদিক গোলাম রাব্বানীর উপর।
সাংবাদিক গোলাম রব্বানী জানান, তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা করা হয়, তার উপরে হামলার সঙ্গে স্থানীয় কিছু সস্ত্রাসী বিআরটির দালাল ও পুলিশের এ এস আই সোহেল ও কনস্টবল আতোয়ারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় ১০ থেকে ১৫ জন মিলে তার উপর হামলা করে এবং এলোপাতারি ভাবে আঘাত করে।
উক্ত হামলার বিষয়ে বিআরটি’এ কর্মকর্তা শেখ মাহাতাব উদ্দিনকে একাধিকবার মুঠোফোনে ফোন দেওয়া সত্বেও তাকে পাওয়া যায়নি,
অন্যদিকে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী গোলাম রাব্বানী কে হামলার প্রতিবাদে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ধিক্কার ও নিন্দা জানিয়েছে।এই হামলার সাথে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা না করলে বিভিন্ন আন্দোলনের ডাক দিবে । এ বিষয়ে মামলার পস্তূতি চলছে বলে জানান সাংবাদিক গোলাম রব্বানী ।
এ বিষয়ে দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী সাংবাদিক যেকোনো জায়গায় তথ্য নিতে যেতে পারবে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর তাকে তথ্য দিতেও বাধ্য থাকবে কিন্তু এভাবে সাংবাদিককে মেরে আহত করা এবং হত্যার চেষ্টা করা একটি নিত্য নৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।