নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কোনোভাবেই যেন পানি সম্পদ দূষিত না হয় এ আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,নদীর পানি যেন দূষণ না হয়। যারা শিল্প-কলকারখানা গড়ে তুলবেন তাদের দূষিত পানি যেন নদীতে না পড়ে। সে জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।’
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৮০টি সমাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্প ও পুনঃ খননকৃত ৪৩০টি ছোট নদী, খাল, জলাশয়ের শুভ উদ্বোধন এবং নতুন অনুমোদিত ২০টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে গণভবন হতে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের খাল-বিল, নদী-নালা, হাওর-বাঁওড় সবই রক্ষা করতে হবে। শুধু বাঁধ দেওয়া আর সুইচগেট দিয়ে বদ্ধতার সৃষ্টি করা যাবে না। প্রকৃতিকে তার আপন খেয়ালে চলতে দিতে হবে। কিন্তু তার মধ্য দিয়ে আমাদের সম্পদ রক্ষার ব্যবস্থা নিতে হবে।’
সরকারপ্রধান বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা শতকরা ৯৮ ভাগ মানুষকে সুপেয় পানি দিতে সক্ষম হয়েছি। এটাও এসডিজি’র একটা লক্ষ্য, আমরা পূরণ করছি।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা লঞ্চ, স্টিমার, স্পিডবোটে যান বা নৌপথে চলেন, কোন কিছু খেয়েই নদীর মধ্যে ফেলে দেন। ঠিক বাসেও যখন কেউ চলাচল করে যা কিছু আছে দেখা যায় রাস্তায় ফেলে দেবে, দয়া করে এটা করবেন না। এসব ময়লা ফেলার জন্য আলাদা ব্যাগ বা বাস্কেট রাখবেন, কিছু না পারলে একটা ঝাকা রাখবেন, তার মধ্যে ফেলবেন। কিন্তু নদী যেন দূষণ না হয়।’
এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জলাবদ্ধতা যেন সৃষ্টি না হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। সব জায়গায় পানি সরে যাওয়ার জন্য জলাধার রাখতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে আমাদের দেশকে বাঁচাতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘২০০৯ থেকে ২০২৩, এই সময়ের মধ্যে সারা বাংলাদেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তার জন্য আমি জনগণের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। বাংলাদেশের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই যে, তারা বারবার ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করেছেন। কারণ, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে এদেশে স্বাধীনতা পেয়েছেন। সেই সঙ্গে আজ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছেন বলেই এই উন্নয়ন সকলের জীবনে।