হামিদ কল্লোল:
চকরিয়া উপজেলার সাহারবিলের চোয়ারফাড়ি এলাকাটি কয়েকবছর ধরে ফিশিংবোট তৈরির
কারখানা হিসেবে গড়ে উঠেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বনবিভাগের লোকজনের সহযোগিতায় সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে তরতাজা গর্জন গাছ কেটে এনে স্থানীয় সমিলে চেরাইয়ের পর এখানে বছরজুড়ে বোট তৈরি করেন। সাগরে মাছ আহরণে জড়িত বহদ্দার ও লবন পরিবহনে নিয়োজিত ব্যবসায়ীদের নিকট একটি বোট ৪০ থেকে ৫০-৫৫ লাখ টাকায় বিক্রি করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে বন বিভাগের বৃক্ষ নিধন হলেও বিশেষ কারনে বনবিভাগ নিরব ভুমিকা পালন করছে।
চোয়ারফাড়ি খালের প্যারাবন লাগোয়া চরে তৈরি করা এসব ফিশিং বোট কেনার জন্য এখন চকরিয়া কক্সবাজার ছাড়াও চট্টগ্রাম এবং সন্দীপ মহেশখালী কুতুবদিয়া থেকেও লোকজন আসছেন।
বর্তমানে চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের চোয়ারফাড়ি এলাকাটি ফিশিং বোট তৈরি ও বিক্রির জন্য একটি নিরাপদ স্থান হয়ে উঠেছে।স্থানীয় এলাকাবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন বন বিভাগের বৃক্ষ অবৈধ উপায়ে নয় বৈধ উপায়ে এখানে ব্যবহার করা হোক।নয়তো সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে