ইবি প্রতিনিধিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে(ইবি) সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট (সিজেডএম) এর উদ্যোগে কুষ্টিয়া জোনের স্নাতক শিক্ষার্থীদের জিনিয়াস স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড প্রদান এবং কার্যকর ই-মেইল লেখার সক্ষমতা বৃদ্ধির অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় সিজেডএম’র অপারেশন প্রধান কাজী আহমেদ ফারুকীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান এবং স্বাগত বক্তা হিসেবে অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, সিজেডএমের অতিথিবৃন্দ’সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজের শাহাদাত হোসেন মেহেদী, অর্থনীতি বিভাগের (ইবি) শিক্ষার্থী অমিত কুমার, জিওগ্রাফিক বিভাগের (ইবি) শিক্ষার্থী বৃষ্টি দাস, দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের (ইবি) শিক্ষার্থী ইসরাফিল, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিবকে সিজেডএম জিনিয়াস স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
জানা যায়, জিনিয়াস বৃত্তি সুবিধা কুষ্টিয়া অঞ্চলে শুরু থেকে এপর্যন্ত ১২০০ এর অধিক শিক্ষার্থী এ সুবিধা পেয়েছেন। এতে শুধু ইবি ক্যাম্পাসের ৮৯৮ জন এ সুবিধা পেয়েছেন। বর্তমান কুষ্টিয়া অঞ্চলে এ সুবিধা পাচ্ছেন ৬০০ শিক্ষার্থী। যেখানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫০ জন শিক্ষার্থী পাচ্ছেন। এছাড়াও নব্য পুরস্কারপ্রাপ্ত ২০৩ জনের মধ্যে ১৭৩ জন হলেন ইবি শিক্ষার্থী।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, একটি সমাজে ভারসাম্যহীন বিরাজ করে সেই সমাজে সহিংসতা ও অস্থিরতা বাড়ে। সমাজকে ভারসাম্যহীনতা থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যই হচ্ছে যাকাত প্রদান করা।
তিনি আরও বলেন, ছাত্র জীবনের কর্তব্য হচ্ছে লেখাপড়া, সময়ানুবর্তিতা ও নিজ বিভাগকে নিয়ে সন্তুষ্ট বা খাপ খাওয়ানো। যখনই যাকাতের স্কলারশিপ নিয়ে নিজেরদের পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে নিয়োজিত হতে পারবে তখন এ স্কলারশিপের স্বার্থকতা আসবে।
প্রসঙ্গত, সিজেডএম বৃত্তির অন্যতম বৈশিষ্ট হলো সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাসিক বৃত্তি প্রদান, উপযুক্ত ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা ও কাউন্সেলিং করা। এছাড়া তাদেরকে জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবায়নাধীন সিজেডএম কর্মসূচির সাথে সম্পৃক্ত করে মানবসেবায় উৎসাহিত করা। কুষ্টিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ থেকে এসব শিক্ষার্থীরা মনোনীত হয়ে স্কলারশিপ গ্রহণ করেন।